আর্কাইভ  শুক্রবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ● ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
আর্কাইভ   শুক্রবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২৬

শিরোনাম: ঢাবিতে অনলাইন ক্লাস       নিয়ম ভেঙে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার নিয়োগ, অনিয়মেই বাড়লো মেয়াদ       ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সিট প্ল্যান ও নির্দেশনা প্রকাশ       বিয়ে করলেই নাগরিকত্ব পাওয়া যায় যেসব দেশের       ২দিন ছুটিসহ পপুলারে চাকরি      

দক্ষিণ এশিয়ার সেরা শিক্ষকের স্বীকৃতি পেলেন জবি অধ্যাপক মো.জহির উদ্দিন আরিফ

রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, বিকাল ০৫:০৩

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. জহির উদ্দিন আরিফ যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অফ ডিজিটাল বিজনেস থেকে "বেস্ট ফ্যাকাল্টি অব দি ইয়ার" ক্যাটাগরিতে লন্ডন স্কুল অফ ডিজিটাল বিজনেস (এলএসডিবি) রিজিওনাল এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড (এলআরইএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩) অর্জন করেছেন। 

 ৭ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অফ ডিজিটাল বিজনেস থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

অধ্যাপক মো. জহির উদ্দিন আরিফ স্যার তার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন। তিনি তাঁর শিক্ষা ও গবেষণা কর্মে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উক্ত অ্যাওয়ার্ড এর জন্য তাঁকে মনোনীত করায় আর্জেন্টিনা ও বিশ্বব্যাপী কনস্টিটিউন্ট পার্টনার ক্যাম্পাস সমৃদ্ধ ক্রাউন ইউনিভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল চার্টার্ড ইনকর্পোরেটেডের উপাচার্য  ইউনেস্কো লরিয়েট অধ্যাপক স্যার বাশিরু আরেমু এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

এই বছরে বিশ্বের ৩২ টি দেশের শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা বিভিন্ন বিভাগে এলআরইএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ অর্জন করেছে।

অধ্যাপক মো. জহির উদ্দিন আরিফ বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার একজন শিক্ষাবিদ ও গবেষক এবং তার বিভিন্ন গবেষণা প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।অধ্যাপক আরিফ ক্রাউন ইউনিভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল চার্টার্ড ইনকর্পোরেটেড, আর্জেন্টিনা এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, বরিশাল এর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।  তিনি তাঁর সেরা গবেষণাপত্রের জন্য সাউথ এশিয়ান জার্নাল অফ মার্কেটিং, এমেরাল্ড পাবলিশিং লিমিটেড, যুক্তরাজ্য থেকে ২০২২ এমেরাল্ড লিটারেটি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন । 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন,স্যারের এই সাফল্য আমি মনে করি শুধু আমাদের ডিপার্টমেন্ট কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের নয় বরং গোটা জাতি তথা দেশের জন্য গৌরবের।দক্ষিণ এশিয়ার এত নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্বেও, ঢাকার শহরের ছোটো একটা জায়গায় গড়ে উঠা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমন একজন শিক্ষক উঠে আসা সত্যিই অকল্পনীয়।স্যার সবসময় আমাদেরকে গবেষণায় দিকে আগ্রহ বাড়াতে উৎসাহ দিতেন। আমি মনে করি এটা স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল, তিনি এটির প্রাপ্য।সার্বক্ষণিক ওনার এমন গবেষণা ধর্মী চিন্তা, বিচক্ষণতা, জ্ঞান, পরামর্শ, গবেষণায় এমন সাফল্য আমাদের শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করবে গবেষণার দিকে।একইভাবে একাডেমি ভাবেও এমন গবেষণা ধর্মী শিক্ষক থেকে বেনিফিটেড হবো।এমন ব্যক্তিদের সঠিক মূল্যায়ণ করা গেলে, গবেষণায় আমাদের বিপ্লব ঘটা সম্ভব।

মন্তব্য করুন


 

Link copied